মৌন-মুখর

মৌন-মুখর

মৌন-মুখর 150 150 সীমানা ছাড়িয়ে

প্রথম প্রহরের ঘুম ভেঙে মনে হল
এরপরেই, খুব জোরে বৃষ্টি নামবে।
ধুয়ে যাবে বারান্দার সেই অংশ..
বীভৎস কিছু জীবাণু যেখানে,
কাগজের হেডলাইন খুবলে, চেটে খাচ্ছিল মানুষের রক্ত।
পথের পাশে অনাদরে পড়ে থাকা,
বৃষ্টি-ভেজা কিছু কৃষ্ণচূড়ার ফুলকে
শুধু এক পলক চোখ ভরে দেখতে
ভেবেছিলাম আকাশ ভেদ করে ছুটে আসবে,
বলিষ্ঠ উজ্জ্বল এক হিরের মালা।

কিন্তু অতিমারীর উল্লাস থেকে ঔদ্ধত্যের সহজ পাঠ নিয়ে
ধেয়ে এল একজোড়া হেডলাইট।
ঝরে গিয়েও তার লোলুপ চাহনিতে কুঁকড়ে গেল
কিছু লাল কৃষ্ণচূড়ার ফুল। তারপর,
ভারী চাকার দাগ বুকে নিয়ে ফুটপাথ জুড়ে
প্রশ্ন বিছিয়ে, রয়ে গেল তারা সারারাত।
প্রতিদিন এভাবেই তাদের দৃষ্টি এড়িয়ে শুরু হয় আমার দিন।
ভোরের দমকা হাওয়া ফিসফিসিয়ে আশ্বাস দিয়ে যায়-
আজ হলনা, আরো কিছুদিন..

দেবাঞ্জন বাগচী।

Leave a Reply

Solve : *
21 − 5 =